গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালককে জবাই করে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে নিহত শারমিন বেগমের বাবা সাহাদত মোল্লা কাপাসিয়া থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক ঘাতক ফুরকান মিয়াসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত নারী শারমিন খানমের বাবা সাহাদত মোল্লা বাদী হয়ে ফুরকানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামি করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
এর আগে শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোন গ্রামের একটি আবাসিক কলোনি থেকে রক্তমাখা অবস্থায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন অভিযুক্ত ফুরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন বেগম (৩২), শ্যালক রসুল মিয়া (২২), বড় মেয়ে মীম (১৪), হাবিবা (১০) ও ফারিয়া (২)। তারা গোপালগঞ্জ জেলা শহর থেকে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের কাপাসিয়া রাউৎকোন গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতের কোনো এক সময় ওই পাঁচ জনকে জবাই করে নির্মমভাবে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী ফুরকান পালিয়ে যায়। পরে শনিবার ভোরে পলাতক স্বামী নিহতের স্বজনদের কাছে মোবাইল ফোনে খুনের কথা জানান।



