নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার, পাচারচক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে নিখোঁজ তরুণী উদ্ধার, পাচারচক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদ নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়া এক তরুণীকে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাচার চক্রের দুই সদস্যকেও গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫। শুক্রবার (৮ মে) র‌্যাব-১৫’র পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

অভিযানে তরুণী উদ্ধার

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে র‌্যাবের আভিযানিক দল পর্যটন জোনের কলাতলী ‘হাইপ্রিয়ান সীপার্ল’ নামে একটি আবাসিক হোটেলের ৬-সি নম্বর রুম থেকে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন, কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ফাক্রিকাটার ছুরত আলমের ছেলে শামসুল আলম (৩৩) ও কক্সবাজার সদরের ঝিলংজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খরুলিয়া ঘাটপাড়ার মমতাজ আহমেদের ছেলে শাহ আলম ড্রাইভার (৩৪)।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান

গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় র‌্যাব জানায়, খবর আসে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া এক তরুণীকে (২৩) কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের একটি আবাসিক ভবনে আটকে রাখা হয়েছে। এ খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে অভিযানে নামে র‌্যাব। এক পর্যায়ে ‘হাইপ্রিয়ান সীপার্ল’ আবাসিক হোটেলের ৬-সি নম্বর রুমে অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় কিশোরীকে অপহরণের ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুই অপহরণকারীকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া তরুণীকে পাচার কাজে ব্যবহৃত একটি নোহা মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৪-৫৩২৩) জব্দ করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য

র‌্যাব-১৫ এর মিডিয়া পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা আরও স্বীকার করেছে, সাধারণ জনগণের কাছে তারা ভদ্রবেশী হলেও পর্দার আড়ালে তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয় সদস্য। যারা মূলত অসহায় নারী ও তরুণীদের টার্গেট করে পাচার বা অনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্রুত পদক্ষেপে উদ্ধার

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ভিকটিম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ইতোমধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। অভিযোগটি র‌্যাবের কাছে আসার মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধার ভিকটিম এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।