নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা নেই: তথ্য উপদেষ্টা
নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা নেই

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা আর নেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব এখন অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর বর্তায়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য

মঙ্গলবার সচিবালয়ের তথ্য বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনী মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, 'তারা নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।'

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি

ড. জাহেদ ব্যাখ্যা করেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগে ভঙ্গুর ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে মাঠে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনগণের আস্থা বাড়াতে এবং অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছিল। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

'আগে সেনাবাহিনীর নিজস্বভাবে গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা ছিল। বর্তমানে তারা সরাসরি এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত নয়,' তিনি বলেন।

সেনাবাহিনীর বর্তমান ভূমিকা

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সেনাবাহিনী এখন নির্বাচনকালীন মোতায়েনের মতোই ভূমিকা পালন করছে—প্রয়োজনে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত একটি সহায়ক বাহিনী হিসেবে, সরাসরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে নয়। তিনি যোগ করেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হলে সেনাবাহিনীর এই উপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ