আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ সোমবার বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে তিনি ‘মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল’ বা মব হচ্ছে জনগণের প্রতিক্রিয়া বলে মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথমবারের মতো ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের সঙ্গে বৈঠক করেন আসাদুজ্জামান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
মব কি পদ্ধতিগত?
ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ওয়াইডস্প্রেড ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আপনারা দায়মুক্তি দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর মবগুলোও কি পদ্ধতিগত ও ব্যাপক মাত্রায় হয়েছে? এগুলো ভবিষ্যতে তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে কি?’
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মব ইজ নট সিস্টেমেটিক অর ওয়াইডস্প্রেড। মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল। এবং সেটা যদি অর্ডিনারি ক্রাইমের মধ্যে পড়ে, সেটা অর্ডিনারি আইন অনুসারে দেখা হবে। আপনি যদি সেই বিচার করতে যান, অনেক বিষয় চলে আসবে এর পেছনে। তাহলে যেকোনো স্বাধীনতাসংগ্রাম, গণ-অভ্যুত্থান বা বিপ্লবকে অসম্মান করা হবে।’
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিবেচনায়
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, বাজেট অধিবেশনে না উঠলে পরবর্তী অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশের বিল উত্থাপন করা হবে। ১৭ মে মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম সংক্রান্ত আইনের কনসালটেশন মিটিং ডাকা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো সামনে আনা হবে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওটাও আমরা বিবেচনার মধ্যে রাখছি।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘আপনারা কী চাচ্ছেন? কালকেই পাস করে দিই?’
এক সাংবাদিক জানতে চান, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে সচিবালয় বিশেষ করে বিচার বিভাগকে সুপার স্বাধীনতা দিলে ব্যালান্স না-ও থাকতে পারে, বর্ডার ক্রস করতে পারে। আইনমন্ত্রী হিসেবে তিনি কী মনে করেন?
জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলতে আইন মন্ত্রণালয়কে বোঝায়। আইনমন্ত্রী হিসেবে এ ধরনের কোনো বক্তব্য আমরা বলি নাই। সুতরাং অন্য কে কী বলল, সেটা আমার কাছে কগনিজেবল না।’



