মানবতাবিরোধী অপরাধে মেনন-কামরুলের বিচার শুরু, অভিযোগ গঠন
মানবতাবিরোধী অপরাধে মেনন-কামরুলের বিচার শুরু, অভিযোগ গঠন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেনন-কামরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী সদস্য সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে আজ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়।

শুনানির বিবরণ

এই মামলায় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গ্রেফতার রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম আদেশের সময় ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এদিন দুই আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানির শুরুতে আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে বিচারক মোহিতুল হক মামলার তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান এবং আসামিদের কাছে অভিযোগ স্বীকারের বিষয়ে জানতে চান।

জবাবে রাশেদ খান মেনন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালের কাছে ন্যায়বিচার চান। অন্যদিকে কামরুল ইসলাম অভিযোগগুলোকে মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

পরবর্তী কার্যক্রম

পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়ে মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করেন। শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগের বিবরণ

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন বিভিন্নভাবে উসকানি দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি কারফিউ জারিতে প্ররোচনা দেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় গুলিতে ২৩ জন নিহত হন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।