গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। তাদের হামলায় চার পুলিশসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, নিজেদের জানমাল ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষার্থে চারটি সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে। অভিযানে সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) বেলায়েত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন হিমারদীঘি (আমতলী) কেরানীরটেক এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা
মাদক ব্যবসায়ীদের মারধরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের আহত সদস্যরা হলেন: এএসআই নুরে আলম, কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল রাকিবুল ইসলাম ও নারী কনস্টেবল জাহানারা বেগম। তাদেরকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আটক ও পলাতক
আটকরা হলেন: শাহীন (৩৬), সোহেল (২৮), রায়হান (১৯), রওশন আরা (৩০), সুমি আক্তার (২৪), নুরজাহান (৫৩) ও বিউটি আক্তার (৫৬)। এ ঘটনায় একাধিক মাদক মামলার আসামি পলাতক রুনা আক্তার রুনা বেগমসহ (৩৮) অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আটকদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি-উত্তর ও দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল টঙ্গী পূর্ব থানাধীন হিমারদীঘি (আমতলী) কেরানীরটেক এলাকায় মাদক উদ্ধার যৌথ অভিযানে যায়। একাধিক মাদক মামলার আসামি রুনা আক্তারের বাসার সামনে উপস্থিত হলে আসামিরা চিৎকার করে আরও লোকজন জড়ো করে গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ চারটি ফাঁকা সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায়। তাদের হামলায় চার পুলিশসহ পাঁচজন আহত হন। পুলিশের ধাওয়া করে সাতজনকে আটক করে টঙ্গী পূর্ব থানায় নিয়ে আসে। মাদক মামলার আসামি রুনা আক্তারসহ অন্যরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।



