রাজধানীর কদমতলীর পলাশপুরে দুই ভবনের মাঝে পড়ে মো. রোমান (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সে একটি সিএনজি অটোরিকশার গ্যারেজে কাজ করত। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পলাশপুরের ৪ নম্বর রোডের একটি আট তলা ও পাশের সাত তলা ভবনের মাঝের স্থান থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিবরণ
কদমতলী থানার এসআই মো. আমজাদ হোসেন জানান, রাতে দুই ভবনের মাঝে প্রথম তলার কার্নিশের ওপর পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় সেখান থেকে রোমানকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সে মারা যায়।
ময়নাতদন্ত ও তদন্ত
শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে। এসআই আরও বলেন, রোমান কেন ওই স্থানে গিয়েছিল ও কীভাবে সেখানে পড়েছিলো, সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পরিবারের বক্তব্য
নিহতের দুলাভাই মো. পলাশ বলেন, রাতে সিএনজি গ্যারেজে রোমান ডিউটি করছিল। সকালে খবর পাই ৭ তলা থেকে পড়ে গেছে। রাতে ওই গ্যারেজ থেকে তার কোনও বন্ধুরা ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন জানতে পেরেছি। রোমানের কোনও শত্রু ছিল না।
রোমান পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি কদমতলীর মদিনা বাগ মসজিদ গলিতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন।



