আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই সাংবাদিকের গ্রেফতারে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। রোববার (২৪ মে) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গ্রেফতার ও তদন্ত প্রক্রিয়া
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল হক বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এই মামলার তদন্ত করছে এবং তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত।
অ্যামনেস্টির ভূমিকা
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা অন্য কোনো মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিক্রিয়া আমরা দেখিনি। চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় তাদের হস্তক্ষেপ করা আইনগতভাবে সম্ভব নয়। এই বিষয়ে কোনো সুযোগ নেই।
অন্যান্য মামলা ও তদন্ত
এ মামলায় আরও কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত চলমান। যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানি করা হবে না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩১ মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এত বছরেও তদন্ত শেষ না হওয়া দুঃখজনক। তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালে যোগ দেওয়ার পর তিনি ৭টি মামলা পুনরায় তদন্তে পাঠিয়েছেন, যা ঈদের পর চার্জশিট আকারে দাখিল করা হবে।



