সাহস থাকলে এসে আইনের মুখোমুখি হোন: জাহিদ হোসেন
সাহস থাকলে আইনের মুখোমুখি হোন: জাহিদ হোসেন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফেরার সাহস দেখাতে চান, তাহলে তাকে আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আইনের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান

তিনি বলেন, ‘সাহস থাকলে এসে আইসিটির মুখোমুখি হোন, আইনের মুখোমুখি হোন। তাহলেই বোঝা যাবে “বাপের বেটি” কেমন।’ বুধবার (২০ মে) সকালে সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য নির্মাণাধীন ক্রীড়া কমপ্লেক্স প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় শেখ হাসিনার ‘মাথা উঁচু করে দেশে ফিরবেন’, এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো চাই, সাহস থাকলে এসে আইসিটির মুখোমুখি হোন, আইনের মুখোমুখি হোন। আমরা তো ৫ আগস্ট ২০২৪, এ দেখেছি সাহস কাকে বলে। আমরাও দেখতে চাই। বাংলাদেশের মানুষ উন্মুখ হয়ে আছে। সাহস থাকলে আসুন, কোর্টে যান, আইনের মুখোমুখি হোন।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পরামর্শ

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে জোর-জবরদস্তির কিছু নেই। কোর্ট যদি বলে আপনি বেকসুর খালাস, তাহলে খালাস, কোনও সমস্যা নেই। এ নিয়ে আমি আর বেশি মন্তব্য করতে চাই না। তবে আমি মনে করি, যিনি এ কথা বলেছেন, তার উচিত হবে আইন-আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স

এর আগে নির্মাণাধীন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্রীড়া কমপ্লেক্স প্রকল্প ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করতেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে প্রায় ১১ ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে শারীরিক, মানসিক, সাইকোলজিক্যাল ও ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধিকতাও রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্যারা অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার উপযোগী করে তাদের গড়ে তুলতে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে।’

দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে

প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনও ধরনের ক্রয় প্রক্রিয়া বা আসবাবপত্র কেনাকাটা হয়নি। কেবল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে এবং সেটি করছে সরকারি সংস্থা পিডব্লিউডি।’

তিনি বলেন, ‘পিডির নিজস্ব খরচ করার কোনও ক্ষমতা নেই। টাকা সরাসরি পিডব্লিউডিতে ট্রান্সফার হচ্ছে এবং তারাই কাজ করছে। এখানে অ্যাডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, সাইট ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট ও ডিজাইন টিম কাজ করছে।’