জুলাই-আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম কমিশন গঠন: তথ্যমন্ত্রী
জুলাই-আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম কমিশন গঠন

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মঙ্গলবার বলেছেন, আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে একটি যুগোপযোগী গণমাধ্যম নীতি ও গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে, যা সাংবাদিক, মালিক ও সংবাদপত্রের কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

এছাড়া, নৈতিকতাহীন সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিষয়গুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে কাজ করবে এই কমিশন।

মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসিন এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনার জন্য মজুরি বোর্ড প্রসঙ্গে স্বপন বলেন, সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদের পৃষ্ঠপোষকতা করা উভয়ই সরকারের দায়িত্ব।

“আমরা সাংবাদিক ও মালিকদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট ও সুসংগঠিত আইনি কাঠামো তৈরি করতে কাজ করছি। জুলাই-আগস্টের মধ্যে একটি নীতি ও কমিশন গঠন করা হবে যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ নিশ্চিত হয়,” তিনি বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সম্পাদক কাউন্সিলের বৈঠকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং নৈতিকতাহীন সাংবাদিকতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বর্তমান আইনে এসব কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দিষ্ট বিধান না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন আইন ব্যবহার করছেন বলে তিনি জানান।

স্বপন বলেন, প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পর এই আইনি সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দেশে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে সর্বোচ্চ উৎসাহ দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশেষ করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় এই বাস আনতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

“যদি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি বাস চালু করা যায়, তাহলে ৫০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবককে পৃথক গাড়ি ব্যবহার করতে হবে না, যা যানজট ও দূষণ কমাবে,” তিনি বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য কত আসন ক্ষমতার বাস শুল্কমুক্ত আনা যায় তার একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও নীতি তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।