বিমানের বিতর্কিত কর্মকর্তা মিজানের পদোন্নতি আবার বাতিল
বিমানের বিতর্কিত কর্মকর্তা মিজানের পদোন্নতি বাতিল

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিতর্কিত ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা কর্মকর্তা মিজানুর রশীদকে আবারও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। তবে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিমানজুড়ে চাঞ্চল্য ও ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পদোন্নতি ও বাতিলের ঘটনা

সোমবার (১৯ মে) সকালে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ থেকে মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) খন্দকার বাকী উদ্দিন আহম্মদের সই করা এক আদেশে মিজানুর রশীদকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। তিনি এর আগে মহাব্যবস্থাপক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই খবর প্রকাশের পর বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাপক আলোচনা শুরু করেন এবং অনেকে তাকে অভিনন্দন জানান।

তবে কয়েক ঘণ্টা না যেতেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। বিকালে একই বিভাগ থেকে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আগের পদোন্নতি ও পদায়নের আদেশ সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করা হয়। কী কারণে এত দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হলো, তা নিয়ে বিমানের ভেতরে-বাইরে প্রশ্ন উঠেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্নীতির অভিযোগ

বিমানের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। পরবর্তী সময়ে তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখনো বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ৪ মার্চ মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) পদে থাকাকালীন তাকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিনই তাকে আবার প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও দেওয়া হয়, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চ পদ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্তৃপক্ষের নীরবতা

হঠাৎ পদোন্নতি এবং তা বাতিলের বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বিমানের অভ্যন্তরে তীব্র আলোচনা চলছে এবং অনেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।