সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল গত ১৬ মে এই আবেদন করেন।

সোমবার (১৮ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “এখনও আদালত থেকে আসামিকে গ্রেফতার দেখানো সংক্রান্ত শুনানির জন্য তারিখ পাওয়া যায়নি।”

আবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামি এ বি এম খায়রুল হক। তিনি বর্তমানে জেল হাজতে আটক আছেন। এই মামলা তদন্তকালে উল্লিখিত আসামির মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষে তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোবাইব (২০)। যাত্রাবাড়ী ওভারব্রীজের নিচে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করাকালে মামলার আসামিদের নির্দেশে ও মদদে পুলিশ, র্যাবসহ অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ ও স্বোচ্ছাসেবকলীগের অস্ত্রধারীরা একসঙ্গে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে খোবাইব ঘটনাস্থলে মারা যান।

ওই ঘটনায় মৃতের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। এতে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়।

এর আগে গত ১৭ মে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেফতার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পৃথক পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় গত ৩০ মার্চ খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়। এভাবে গ্রেফতার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে ১৩ মে রিটটি করেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ জুলাই বিচারপতি খায়রুল হককে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।