সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, গত ২০ বছর দেশ ঘন-কালো অন্ধকারে ছিল। এই অন্ধকার ভেদ করে আমরা নতুন প্রভাত আনতে চাই। নতুন সূর্যোদয় করতে চাই। ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আমরা জীবনের গান গাইতে চাই।
দুই শতাব্দীর প্রাচীন যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। রোববার দুপুরে ঐতিহাসিক যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে আসেন নিতাই রায় চৌধুরী। এ সময় পাবলিক লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত তালপাতায় লেখা প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পাণ্ডুলিপি ও বিভিন্ন বই পরিদর্শন করেন তিনি।
এছাড়া মন্ত্রী যশোর ইনস্টিটিউট চত্বরে শতাব্দী প্রাচীন টাউন ক্লাব ঘুরে দেখেন। এর আগে তিনি যশোর শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে অবস্থানকালে তিনি বলেন, মানুষকে পাঠাগারমুখী করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে। এ জন্য আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নানামুখী তৎপরতা চলতে থাকবে। পাঠাগারের পরিবেশটাও নান্দনিক করার চিন্তা রয়েছে। যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য এ সময় মন্ত্রী ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন।
এ সময় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এজেডএম সালেক স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



