সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের শুনানির জন্য ১৭ মে তারিখ নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।
আদেশ দেন হাইকোর্ট বেঞ্চ
বিচারপতি রাজিক-আল-জালিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষ সময় চাইলে এই আদেশ দেওয়া হয়।
পিটিশনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন সাজু।
রিটের বিবরণ
এর আগে ১৪ মে আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহিন সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট পিটিশনটি দাখিল করেন। এতে খায়রুল হককে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার বা হয়রানি থেকে সুরক্ষা চাওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, খায়রুল হকের নাম এফআইআরে না থাকলেও তাকে একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, যা বেআইনি ও অবৈধ। এছাড়া চলমান মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়।
পূর্ববর্তী জামিন
১২ মে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। তার আইনজীবীরা বলেন, সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে কোনো আইনি বাধা নেই। তবে রাষ্ট্রপক্ষ ইতিমধ্যে আপিল বিভাগে জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে।
এর আগে ২৮ এপ্রিল জুলাই অভ্যুত্থানের সময় জুবো দল কর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
৮ মার্চ হাইকোর্ট চার মামলায় জামিন দেয়। ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান তিনি। জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন আপিল বিভাগ খারিজ করে দেয়।
পরে যাত্রাবাড়ী থানার আরিফ হত্যা মামলা ও আদাবর থানার রুবেল হত্যা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলে ১২ মে জামিন মঞ্জুর হয়।



