নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ৬ আগস্ট
নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায় ৬ আগস্ট

ঢাকার নবাবগঞ্জ এলাকায় ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার অভিযোগের মামলায় ২২ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়েছে। রায়ের জন্য নতুন করে আগামী ৬ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আদালতে রায় ঘোষণা পিছিয়ে

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক ব্যস্ত থাকায় রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জুম্মন এ তথ্য জানান।

মামলার আসামিরা

মামলার আসামিরা হলেন– অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, তার স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাষ্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু। আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের রায়ের তারিখ

গত ৪ মার্চ মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। ওই দিন বিচারক রায়ের তারিখ পিছিয়ে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরে ১৩ মে রায়ের দিন নির্ধারণ থাকলেও রায় ঘোষণা হয়নি।

ঘটনার বিবরণ

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী পিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে একাধিক মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ‘শত্রুতা’ ছিল। মতিউর রহমান ও মরিয়মের ‘পরিকল্পনায় ও নির্দেশনায়’ ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পিংকু মালিকান্দার চকে যাওয়ার পথে আসামিরা এলাকার ধনিয়া ক্ষেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করে। ওই ঘটনার পরদিন পিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া

ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি তদন্ত করে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচারকালে আদালত ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন সাক্ষ্য দেন।