নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। আবেদনকারীদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস ‘পাবলিক’ (উন্মুক্ত) করার নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাসটি। শুক্রবার (৫ জুন) সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের উদ্দেশে এই বার্তা দেয় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
নির্দেশনার বিস্তারিত
বার্তায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে এ-৩, সি-৩ (গৃহকর্মী হলে), জি-৫, এইচ-৩ এবং তাদের নির্ভরশীল এইচ-৪, কে-১, কে-২, কে-৩, কিউ, আর-১, আর-২, এস, টি এবং ইউ ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীকে তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস 'পাবলিক' বা উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সহজ করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বার্তায়।
নিরাপত্তা যাচাইয়ের গুরুত্ব
বিবৃতিতে বলা হয়, ভিসা প্রদান প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে যাতে আবেদনকারীরা দেশটির আইন, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ না করেন। একইসঙ্গে আবেদনকারীদের বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে হবে যে তারা তাদের ভিসার শর্ত অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মতে, ভিসা স্ক্রিনিংয়ের সময় আবেদনকারীদের সম্পর্কে উপলব্ধ সব ধরনের তথ্য ব্যবহার করা হয়, যাতে এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায় যারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বা জননিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হতে পারেন। প্রতিটি ভিসা আবেদনই জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে দপ্তরটি।
ভিসা একটি বিশেষ সুযোগ
একইসঙ্গে মার্কিন ভিসা কোনও অধিকার নয়; বরং এটি একটি বিশেষ সুযোগ, যা নির্ধারিত যোগ্যতা ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের ভিত্তিতে দেওয়া হয় বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।



