চ্যাটজিপিটিতে যুক্ত হতে পারে ভিডিও তৈরির সোরা অ্যাপ, ওপেনএআইয়ের পরিকল্পনা
চ্যাটজিপিটিতে যুক্ত হতে পারে সোরা অ্যাপ, ভিডিও তৈরির সুবিধা

চ্যাটজিপিটিতে যুক্ত হতে পারে ভিডিও তৈরির সোরা অ্যাপ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানাতে বলার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি তৈরি হয়ে যাবে—এমন অভিজ্ঞতা শিগগিরই বাস্তবে রূপ নিতে পারে। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ওপেনএআই তাদের সোরা অ্যাপ সরাসরি চ্যাটজিপিটির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে, যা ব্যবহারকারীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম করবে।

প্রযুক্তিগত বিবরণ ও সম্ভাবনা

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিডিও তৈরির সুবিধা সরাসরি চ্যাটজিপিটিতে যুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সোরা অ্যাপ আলাদাভাবে চালুর কয়েক মাসের মধ্যেই এটিকে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিচ্ছে ওপেনএআই। এই প্রযুক্তি পরিচালনায় বিপুল কম্পিউটিং সক্ষমতা প্রয়োজন, যা ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দিতে পারে।

ওপেনএআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল পরিচালনায় প্রায় ২২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে। ফলে চ্যাটজিপিটিতে ভিডিও তৈরির এআই টুলটি অর্থের বিনিময়ে ব্যবহারের সুযোগ মিলতে পারে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি প্রিমিয়াম সেবা হিসেবে কাজ করবে।

সোরা অ্যাপের অগ্রগতি ও বিতর্ক

গত বছর চালুর পর থেকে সোরা ২ সংস্করণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেও নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ভুয়া ভিডিও বা ডিপফেক তৈরি এবং হলিউডের মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে সমালোচনার মুখেও পড়েছে অ্যাপটি। ফলে সম্প্রতি সোরা অ্যাপের জনপ্রিয়তায় কিছুটা ভাটা পড়েছে, যা ওপেনএআইয়ের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ব্যবহারকারীরা সহজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সৃজনশীল ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন, যা শিক্ষা, বিনোদন এবং বিপণন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তবে নৈতিক ও আইনি ঝুঁকি মোকাবিলায় কঠোর নীতিমালা প্রয়োজন হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।