রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হলো ‘এআই মাস্টারি সামিট: লিডিং বাংলাদেশ’স এআই ফিউচার’ শীর্ষক সম্মেলন। আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই সামিট অনুষ্ঠিত হয়। দেশে প্রথমবারের মতো করপোরেট খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এই আয়োজন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘মাইএআই’।
সামিটে অংশগ্রহণ
ব্যাংক, বিমা, ওষুধ, পোশাকশিল্পসহ দেশের করপোরেট খাতের শতাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা এই সামিটে অংশ নেন। সামিটের পাশাপাশি ‘এআই ফ্লুয়েন্সি’ কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকের বক্তব্য
মাইএআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা হিসেবে না রেখে বাংলাদেশের পেশাজীবীদের সাধারণ সক্ষমতায় পরিণত করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। আজকের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেই উদ্দেশ্য অর্জনের পথে যাত্রা শুরু হলো।
মাইএআই দুই মাসব্যাপী ‘এআই ফর প্রফেশনাল সাকসেস (এআইপিএস)’ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এর প্রথম সশরীর আয়োজন ছিল এই সম্মেলন।
আলোচকবৃন্দ
- সুলতান মাহবুবুল হক – স্কয়ার টেক্সটাইলসের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা
- রাইসুল কবির – ব্রেইন স্টেশন-২৩ পিএলসির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী
- মাহমুদুল হাসান আখন্দ – প্রাইম ব্যাংকের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান
- মো. মোর্শেদুল হক – বিটপী গ্রুপের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার
তাঁরা নিজ নিজ খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য
মাইএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সহযোগী অধ্যাপক সাইফ নোমান খান বলেন, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যে নতুন ঢেউ তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশকে সেই পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাওয়াতে হবে। এআই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও দ্রুত পরিণত হচ্ছে। পেশাজীবীদের এখন থেকেই ‘এআই-প্রস্তুত’ হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের করপোরেট খাতকে এই বৈশ্বিক পরিবর্তনের বাইরে রাখা যাবে না। এ লক্ষ্যেই দেশের শিল্প খাতের নেতৃত্বদানকারী পেশাজীবীদের মধ্যে এআই-দক্ষতা ও সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইডিয়ান কনসালটিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও মাইএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক অনুপম মল্লিক বলেন, ‘এই কক্ষে যাঁরা আছেন, তাঁদের হাতেই চলছে বাংলাদেশের বড় শিল্পগুলো। দেশ কত দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণ করবে, সেটা তাঁরাই ঠিক করবেন। আমরা একটি এআই-সচেতন বাংলাদেশ গড়তে চাই—শুরুটা তাঁদের দিয়েই, যাঁরা ব্যাংকিং, উৎপাদন ও স্বাস্থ্যসেবার দিকনির্দেশনা দেন।’



