দীর্ঘ বিরতির পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চালু
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চালু করা হয়েছে। সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এই ওয়েবসাইটের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এসব ডিজিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ওয়েবসাইটে কী কী রয়েছে?
নতুন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়–সংক্রান্ত দাপ্তরিক তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বাণী ও বিবৃতি এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ছবি–সংবলিত ফটো গ্যালারি যুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবিযুক্ত হোমপেজটির নোটিশ বোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কার্যক্রমের তথ্যও জানা যাবে।
তবে দীর্ঘদিন পর চালু করা হলেও বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রধানমন্ত্রীর জীবনবৃত্তান্তসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট এখনো হালনাগাদ করা হয়নি। ওয়েবসাইটটির তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর জীবনবৃত্তান্ত অংশটি সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছে মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২:৪১ মিনিটে। ওয়েবসাইটের ফুটারে পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিসের নাম রয়েছে। কারিগরি সহযোগিতায় এটুআই, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আইসিটি বিভাগ ও ইউএনডিপির নাম দেখা যায়।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট চালু
নতুন সরকারের প্রথম কার্যদিবসে অর্থাৎ গতকাল বুধবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ চালু হয়েছে। একই সময় চালু করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সব ধরনের দাপ্তরিক আপডেট, নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খবর সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফেসবুক পেজটি বুধবার দুপুর থেকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার ডিজিটাল যোগাযোগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা হলে সরকারি তথ্য প্রাপ্তি সহজতর হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
