ইরান-সম্পর্কিত হ্যাকার গোষ্ঠী হানদালা এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলের ই-মেইল হ্যাকের দাবি করছে
হানদালা হ্যাক টিম এফবিআই পরিচালকের ই-মেইল হ্যাকের দাবি

ইরান-সম্পর্কিত হ্যাকার গোষ্ঠী হানদালা এফবিআই পরিচালকের ই-মেইল হ্যাকের দাবি করছে

ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকার গোষ্ঠী হানদালা হ্যাক টিম যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই-এর পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ই-মেইল হ্যাক করার দাবি করেছে। তারা প্যাটেলের কিছু ছবি ও নথিপত্র ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে, যা সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

হ্যাকারদের দাবি ও প্রকাশিত তথ্য

হানদালা হ্যাক টিম তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে যে, সফলভাবে হ্যাকের শিকার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এখন ক্যাশ প্যাটেলের নাম যুক্ত হয়েছে। গোষ্ঠীটি ফিলিস্তিনপন্থী হিসেবে পরিচয় দিলেও, পশ্চিমা গবেষকদের মতে, এটি ইরান সরকারের সাইবার গোয়েন্দা ইউনিটের মাধ্যমে ছদ্মনামে পরিচালিত একাধিক হ্যাকার গোষ্ঠীর একটি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের একজন কর্মকর্তা প্যাটেলের ব্যক্তিগত ই-মেইল হ্যাকড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে প্রকাশিত তথ্যগুলো সঠিক বলে মনে হচ্ছে, যা ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিক্রিয়া ও যাচাইয়ের চেষ্টা

এ বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে এফবিআই-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। হ্যাকারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল, তারাও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি। প্যাটেলের ই-মেইলের ফাঁস হওয়া তথ্যগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স, তবে হানদালা যে জিমেইল ঠিকানাটি হ্যাকের দাবি করেছে, সেটির সঙ্গে 'ডিস্ট্রিক্ট ৪ ল্যাবস' নামের ডার্ক ওয়েব ইন্টেলিজেন্স ফার্মে সংরক্ষিত প্যাটেলের আগের ফাঁস হওয়া ঠিকানার মিল পাওয়া গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হানদালার পূর্ববর্তী কার্যক্রম

হানদালা হ্যাক টিমের এই দাবি তাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের অংশ। ১১ মার্চ গোষ্ঠীটি মিশিগানভিত্তিক চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান 'স্ট্রাইকারের' ওয়েবসাইট হ্যাকের দাবি করেছিল এবং তখন তারা প্রতিষ্ঠানটির বিশাল তথ্যভান্ডার মুছে ফেলার দাবি জানিয়েছিল। এই ঘটনাগুলো ইরান-সম্পর্কিত সাইবার হামলার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নির্দেশ করে।

এই হ্যাকিং ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।