বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের নতুন মূল্য ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা
স্বর্ণের দাম বাড়ল, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের মূল্য ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা

স্বর্ণের বাজারে নতুন মূল্য নির্ধারণ, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বগতি এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দর নির্ধারণ করেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নতুন স্বর্ণের দামের বিস্তারিত

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভরিতে দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই এই নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম দুই লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রুপার বাজার অপরিবর্তিত

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার ৭০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপা ছয় হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের পাঁচ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা চার হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত তথ্য

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

গত কয়েক মাসের দাম সমন্বয়ের চিত্র

এর আগে সর্বশেষ গত ২১ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ধারাবাহিক এ সমন্বয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩২ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ২০ বার দাম বেড়েছে এবং ১২ বার কমেছে।

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৬৪ বার বৃদ্ধি এবং ২৯ বার হ্রাস পেয়েছিল। চলতি বছরে এ পর্যন্ত রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ বার দাম বেড়েছে এবং সাত বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ১৩ বার। যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং তিন বার কমেছিল।

বাজুসের এই সিদ্ধান্তে বাজারে স্বর্ণের ক্রয়-বিক্রয়ে প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় চাহিদার উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে আরও দাম সমন্বয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।