বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি: নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাজুস
স্বর্ণের দাম বেড়েছে, নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাজুস

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি: নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাজুস

বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রভাবে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এই সমন্বিত দামে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্বর্ণ বিক্রি হবে।

স্বর্ণের নতুন দামের বিস্তারিত

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

ভ্যাট ও মজুরির নিয়ম

বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

রুপার দাম অপরিবর্তিত

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

রুপার দামের সাম্প্রতিক প্রবণতা

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

এই পরিবর্তনগুলি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বর্ণ ও রুপার বাজারের গতিশীলতা প্রতিফলিত করে। বাজুসের নতুন নির্ধারিত দাম ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে।