বাজেটে জনপ্রিয়তা নয়, সফলতা চাই: হোসেন জিল্লুর রহমান
বাজেটে জনপ্রিয়তা নয়, সফলতা চাই: হোসেন জিল্লুর

আজ প্রথম আলো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। রাজধানীর এক হোটেলে এই বৈঠক চলছে। তিনি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাজেটের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেয়ে সফলতার বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়তার চেয়ে সফলতা গুরুত্বপূর্ণ

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীকে আমরা জনপ্রিয় দেখার চেয়ে বেশি সফল দেখতে চাই।’ বৃহস্পতিবার প্রথম আলো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এতে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও গবেষকেরা অংশ নেন।

স্বস্তির বাজেটের প্রত্যাশা

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, জনপ্রত্যাশা হচ্ছে স্বস্তির বাজেট। উচ্চাভিলাষী বাজেট এই মুহূর্তে জনপ্রত্যাশা নয়। বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সবার মধ্যে আস্থা সংকট রয়েছে। বাজেটের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে এই আস্থার সংকট অতিক্রম করা বা দূর করা জরুরি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থনীতির নানা খাতে সংকট

হোসেন জিল্লুর রহমান আরও বলেন, অর্থনীতির নানা খাতেই এখন নানা সংকট বিরাজ করছে। বাজেটের ক্ষেত্রে বড় সংকট বাস্তবায়নের সংকট। বাস্তবায়নের এই সংকট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ছাড়া দূর করা যাবে না।

নতুন প্রবৃদ্ধির চালক প্রয়োজন

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে নতুন প্রবৃদ্ধির চালক বা গ্রোথ ড্রাইভার লাগবে। বর্তমানে আমাদের প্রবৃদ্ধির বড় চালক সেবা খাত। কৃষি খাত প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হতে পারে।’

বিনিয়োগ নিষ্ক্রিয়, উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে

হোসেন জিল্লুর রহমানের মতে, বিনিয়োগ এখন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে। উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে, এটা অর্থনীতির জন্য ভালো বার্তা নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আয়-ব্যয়ের সমন্বয় ও বাজেটে বিবেচনা

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, মানুষ এখন আয়–ব্যয়ের সমন্বয় করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। বাজেটে মানুষের এই সংগতির বিষয়টাকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি। অর্থ বরাদ্দ বাড়াতে হবে সেবার মান বৃদ্ধির জন্য। তা না হলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাড়তি বরাদ্দে শুধু ভবন তৈরিতে ব্যয় হবে। মানুষের তাতে কোনো উপকার হবে না বলে মনে করেন হোসেন জিল্লুর রহমান।