ঈদের ছুটিতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার: মার্কিন ডলার স্থিতিশীল, অন্যান্য মুদ্রার দর কমেছে
ঈদের ছুটিতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার: ডলার স্থিতিশীল

ঈদের ছুটিতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার: মার্কিন ডলার স্থিতিশীল, অন্যান্য মুদ্রার দর কমেছে

ঈদের ছুটির প্রভাবে গত সপ্তাহে ব্যাংকিং কার্যক্রম মাত্র দুই দিন চালু ছিল, যা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে একটি স্বল্পমেয়াদী অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এই সময়ে মার্কিন ডলারের দর প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও অন্যান্য প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়মূল্যে কিছুটা পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। এনসিসি ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার ও সোমবার ডলার লেনদেন হয়েছে ১২৩ টাকা ২০ পয়সা দরে, যা পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় স্থিতিশীল বলে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোর মূল্যে হ্রাস

ব্রিটিশ পাউন্ডের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৬৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১৬৪ টাকা ৬২ পয়সা, যা সামান্য কমার ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে, ইউরোর সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১৪২ টাকা ৪৭ পয়সা, আর সর্বনিম্ন ১৪২ টাকা ৬ পয়সা, যেখানে পূর্বের তুলনায় কিছুটা পতন লক্ষ্য করা যায়। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দরও কিছুটা কমেছে, যেখানে সর্বোচ্চ ছিল ৮৬ টাকা ৩৫ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৮৬ টাকা ২ পয়সা।

অন্যান্য মুদ্রার অবস্থা

ওই দুই দিনে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়েছে, যা একটি স্থিতিশীল পরিসীমা নির্দেশ করে। সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। সৌদি রিয়ালের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি; সর্বোচ্চ দর ছিল ৩২ টাকা ৮৪ পয়সা। কানাডিয়ান ডলারের দরেও তেমন ওঠানামা হয়নি—সর্বোচ্চ ছিল ৮৯ টাকা ৮৫ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৮৯ টাকা ৮৪ পয়সা। অন্যদিকে, ভারতীয় রুপির সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা, যা পূর্বের তুলনায় স্থিতিশীল বলে ধরা যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই স্বল্প সময়ের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঈদের ছুটির প্রভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে কিছুটা স্থিতিশীলতা বজায় ছিল। তবে মার্কিন ডলার ছাড়া অন্যান্য মুদ্রার দরে সামান্য পতন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা ও স্থানীয় চাহিদার প্রভাব প্রতিফলিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ছুটি শেষে ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে মুদ্রার বাজারে আরও গতিশীলতা আসতে পারে।