ঠাকুরগাঁওয়ে ২০ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ, লক্ষ্য ৩০ লাখ টাকা বিক্রি
ঠাকুরগাঁওয়ে ২০ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ, লক্ষ্য ৩০ লাখ টাকা

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ২০ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করে নজর কেড়েছেন কৃষক আজিজুর রহমান। আধুনিক পদ্ধতিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল এই ফলের বাগান। এবার তার প্রত্যাশা ৩০ লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি হবে।

চাষাবাদের বিস্তারিত

ভানোর ইউনিয়নের কৃষক আজিজুর রহমান নিজের বাড়ির চারপাশের ৪ বিঘা জমি এবং বড়বাড়ি ইউনিয়নের হাসপাতাল সংলগ্ন তীরনই নদীর পাশে ইজারা নেওয়া ১৬ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন এই চাষাবাদ। প্রায় ৫২ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে বাগানে। প্রতিটি চারায় খরচ হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। জমি প্রস্তুত, সার, পানি, ওষুধ ও খুঁটি বসানোসহ প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে গড়ে দুই লাখ টাকা। কেবল কংক্রিটের খুঁটি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকা।

কৃষকের প্রতিক্রিয়া

চাষি আজিজুর রহমান জানান, ‘এর আগেও একবার চার লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছি। এবার ফলন অনেক বেশি। আশা করছি ৩০ লাখ টাকার মতো ড্রাগন ফল বিক্রি হবে। যদি বিদ্যুৎ দিয়ে লাইটিং করতে পারি, তাহলে ১২ মাসই ফল পাওয়া যাবে। এমনিতে ৭ মাস ফল পাওয়া যাবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেখাশোনা করেন আজিজুরের ভাই মোখলেসুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ড্রাগন চাষ সম্পর্কে জানতে পারি। বাড়ি ফিরে ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শুরু করি। এখন মনে হচ্ছে আমরা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি।’

শ্রমিকদের মতামত

এই বাগানে প্রতিদিন কাজ করেন ১৯ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে দুলাল ও শ্রীমতি বলেন, ‘সকাল ৯ টায় কাজ শুরু করি এবং বিকাল ৫টায় শেষ করি। দিনে ৪০০ টাকা করে মজুরি পাই।’

কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্য

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌস বলেন, ‘উপজেলার মধ্যে প্রথম ড্রাগন চাষ করছেন। আমরা নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছি। স্থানীয় আরও অনেক কৃষক এখন ড্রাগন চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই সফলতার পর অনেকেই আজিজুর রহমানের বাগান দেখতে আসছেন। কেউ কেউ পরামর্শ নিচ্ছেন, নিজেরাও এ ধরনের বাগান গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ