পানিসম্পদমন্ত্রী জানিয়েছেন, চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনার গুরুত্ব
তিস্তা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহাপরিকল্পনার আওতায় নদীর পানি সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। মন্ত্রী বলেন, 'এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।'
চীনের ভূমিকা
চীন এই প্রকল্পে অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। ইতিমধ্যে চীনা বিশেষজ্ঞরা সমীক্ষা চালিয়েছেন। মন্ত্রী জানান, 'চীনের সহায়তায় আমরা দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।'
সময়সীমা ও বাস্তবায়ন
চলতি অর্থবছরেই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে নদীর তীরবর্তী এলাকায় সেচ নালা ও পানি সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, 'আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে চাই।'



