প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কৃষক কার্ড বিতরণ: আম-জামের ফল পাঠানোর আহ্বান
কৃষক কার্ড বিতরণে প্রধানমন্ত্রী: আম-জামের ফল পাঠাবেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কৃষক কার্ড বিতরণ: আম-জামের ফল পাঠানোর আহ্বান

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের সূচনা করেছেন। মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ১৫ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন, যা কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কৃষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর মিষ্টি আহ্বান

গাছের চারা বিতরণের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সাথে হাসিমুখে আলাপচারিতায় মেতে উঠেন। তিনি বলেন, ‘উনাদের গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে জামগাছ দিয়েছি, আমগাছ দিয়েছি। আমি উনাদের বলেছি, এটি বাসার সামনে রোপণ করতে হবে। যারা আম ও জামগাছ পেয়েছেন, আমি তাদের বলেছি, আম, জাম যখন ধরবে আমি খাবো, আমাকে পাঠাবেন।’ এই মিষ্টি কথাগুলো কৃষকদের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেরই ইঙ্গিত দেয়।

কৃষি খাতের গুরুত্ব ও কৃষক কার্ডের বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতিতে কৃষির ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির সাথে জড়িত এবং চার কোটি পরিবারের সদস্যরা এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট। কৃষক কার্ড কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষককে সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে এই কার্ড সরাসরি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ ছিল, তা প্রথম সপ্তাহেই মওকুফ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কৃষিনির্ভর এলাকায় কলকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন।

অনুষ্ঠানের অন্যান্য দিক

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কৃষি উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।