গ্যাস সংকট কাটিয়ে নরসিংদীর ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদন পুনরায় শুরু
গ্যাস সংকট কাটিয়ে ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদন শুরু

গ্যাস সংকট কাটিয়ে নরসিংদীর ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদন পুনরায় শুরু

দেশের চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানায় সার উৎপাদন পুনরায় শুরু হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ পরিবেশবান্ধব এই কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।

উৎপাদন স্থগিত ও পুনরায় চালুর সময়রেখা

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৪ মার্চ বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হলে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় পুনরায় গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পর ধাপে ধাপে উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু করা হয় এবং সর্বশেষ ৬ এপ্রিল সকাল ১২টা ১০ মিনিটে পূর্ণাঙ্গভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ার পর উৎপাদন স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যতের আশঙ্কা ও সরকারি উদ্যোগ

তিনি আরও জানান, চলমান জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে ভবিষ্যতে উৎপাদন আবারও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারখানাটি চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৭২ পিএসআই গ্যাস প্রয়োজন, যা সম্পূর্ণভাবে তিতাস গ্যাসের সরবরাহ ও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল।

তবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় সরকার এ কারখানায় গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। বর্তমানে অন্যান্য সার কারখানা বন্ধ থাকলেও এ কারখানাটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চালু রাখা হয়েছে। ফলে আপাতত উৎপাদন অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।

এই উন্নয়ন কৃষি খাতের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে সার উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ