দেশীয় তুলা উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিটিএমএ-কটনকানেক্টের চুক্তি
দেশীয় তুলা উৎপাদনে বিটিএমএ-কটনকানেক্ট চুক্তি

দেশীয় তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি, একটি টেকসই ও শনাক্তযোগ্য তুলা সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং বিপণনে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক কটনকানেক্ট লিমিটেড (সিসিইউকে)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বিটিএমএর গুলশান কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আলোচিত বিষয়

বৈঠকে দেশীয় তুলা খাতের উন্নয়ন, নীতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিটিএমএ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির মাননীয় সভাপতি জনাব শওকত আজিজ রাসেল এবং সভাটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির সিইও মিস অ্যালিসন ওয়ার্ড।

লক্ষ্যমাত্রা ও শুল্ক নীতি

বৈঠকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, রপ্তানিমুখী শিল্পে দেশীয় তুলার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান ১% উৎস শুল্ক নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সাথে, তুলা খাতে বিদ্যমান উৎস শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমঝোতা স্মারকের অন্তর্ভুক্ত বিষয়

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো: অভ্যন্তরীণ তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি, পুনরুজ্জীবনমূলক কৃষি পদ্ধতির প্রবর্তন, শনাক্তকরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন, ইএসজি রিপোর্টিং কাঠামো শক্তিশালীকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, নীতিগত সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক তুলা সরবরাহ শৃঙ্খলের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি।

অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের সুফল

সভায় উল্লেখ করা হয় যে, অভ্যন্তরীণ তুলার উৎপাদন বৃদ্ধি করলে আমদানিনির্ভরতা কমবে, উৎপাদনের সময় হ্রাস পাবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ও আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

বিটিএমএ-এর পক্ষে পরিচালক জনাব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, সৈয়দ এনায়েত কবির এবং জনাব রুবায়েত হায়দার সভায় উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, কটনকানেক্ট লিমিটেড (সিসিইউকে)-এর পক্ষে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জনাব আবু বকর এবং পরামর্শক ড. ফরিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা

অংশীজনরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সহযোগিতা বাংলাদেশের তুলা খাতকে আরও টেকসই, প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং বিশ্ববাজারে এর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।