আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ বছর চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী
রোববার (৩ মে) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা, সরবরাহ ও পরিবহন পরিস্থিতি নিয়ে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
চাহিদা ও সরবরাহের হিসাব
মন্ত্রী জানান, ‘এ বছর কোরবানির জন্য দেশে পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে প্রাপ্যতা রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু। সে হিসাবে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।’
প্রজাতিভিত্তিক হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশে গরু ও মহিষ রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি। এছাড়া ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি। উট ও দুম্বা জাতীয় প্রাণীর সংখ্যা ৫ হাজার ৬৫৫টি।’
সীমান্ত নজরদারি ও বেআইনি প্রবেশ
সীমান্ত দিয়ে কোরবানির পশু যাতে অবৈধভাবে দেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে বলেও জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না।
ঢাকায় অস্থায়ী পশুর হাট
রাজধানী ঢাকায় এবার ২৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী আরও জানান, হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে। সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে।
অনলাইনে পশু বেচাকেনা ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ
অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। এরই মধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



