খাদ্য বিভাগে পদায়ন স্থগিতের প্রতিবাদে স্মারকলিপি
খাদ্য বিভাগে পদায়ন স্থগিতের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

চট্টগ্রামের বিভিন্ন সেন্ট্রাল সাপ্লাই ডিপো (সিএসডি), লোকাল সাপ্লাই ডিপো (এলএসডি) ও সাইলোতে কর্মকর্তা পদায়ন স্থগিত করার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগের নেতারা। তারা চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোর পদায়ন স্থগিতের ‘অফিস আদেশ’ প্রত্যাহারের দাবিতে খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।

পদায়ন স্থগিতের পটভূমি

চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ অভিযান চলাকালে মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে সিএসডি ও এলএসডিতে কর্মকর্তাদের পদায়ন বন্ধ রাখা হয়। এরপর মার্চ ও এপ্রিল মাসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশে পদায়ন বন্ধ থাকে। গত ২৩ এপ্রিল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আরেকটি অফিস আদেশে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত কর্মকর্তাদের পদায়ন স্থগিত করা হয়, যা বোরো সংগ্রহ অভিযানের জন্য প্রযোজ্য।

অফিস আদেশের বিবরণ

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে বলা হয়, ‘সরকারি পর্যায়ে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমে খাদ্য অধিদপ্তরের এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোসমূহে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। বোরো সংগ্রহ মৌসুম ২০২৬-এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সংগ্রহ কার্যক্রম নিরবিচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্নে রাখার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এলএসডিগুলোর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিএসডিগুলোর ব্যবস্থাপক ও সাইলোগুলোর সাইলো অধীক্ষকদের বদলি-পদায়ন স্থগিত থাকবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্মকর্তাদের ক্ষোভ

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে একটানা ১০ মাস বদলি-পদায়ন বন্ধ থাকবে। ফলে প্রত্যাশিত পদায়ন না পাওয়ায় তারা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে থাকা কর্মকর্তাদের বদলির সময় হলেও তাদের বদলি করা যাচ্ছে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটওয়ারি বলেন, ‘মন্ত্রণালয় বোরো সংগ্রহ অভিযানের কারণে কর্মকর্তাদের পদায়ন স্থগিত করেছে। এটি সাময়িক।’ তবে সমিতির নেতারা দাবি, এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে তারা আরও কঠোর আন্দোলন করবেন।