সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে চরাঞ্চলে আতঙ্ক, ঘরবাড়ি নদীগর্ভে
সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে চরাঞ্চলে আতঙ্ক

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভাঙনের বিস্তার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বাড়তে শুরু করায় চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়, চরবিনানুই, কাঁঠালিয়া ও হিজুলিয়া এবং ঘোরজান ইউনিয়নের মুরাদপুর ও ধীতপুর এলাকায় প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার জুড়ে নদীভাঙন চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও বিপুল সংখ্যক গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীতীরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও বসতবাড়ির মালিকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

পানির অবস্থা

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১৪ মে থেকে যমুনা নদীর পানি বাড়তে শুরু করলেও মঙ্গলবার থেকে পানি কমার প্রবণতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত কাজিপুর পয়েন্টে নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ডপয়েন্ট এলাকায় পানি ২৭ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিকার ব্যবস্থা

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘চৌহালী উপজেলার ভূতের মোড় এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় সেখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া খাসকাউলিয়াসহ দুটি স্থানে বাঁধে ভাঙন দেখা দিলে সেখানে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু স্থানে কোনও প্রতিরক্ষা বাঁধ নেই, কিন্তু নদীতীর ভাঙছে। বাজেট স্বল্পতার কারণে এসব এলাকায় এখনই স্থায়ী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।’ স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ