বাংলাদেশ কোরবানির পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দেশীয় চাহিদা মেটানোর পরও উদ্বৃত্ত পশু রয়েছে। এবার সরকারের লক্ষ্য মাংস ও প্রাণিজাত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।
উদ্বৃত্ত পশুর পরিমাণ
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ১০ হাজার। কিন্তু দেশের খামারিরা উৎপাদন করেছেন ১ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি পশু। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক বেশি ছিল। কোরবানির সময় মোট ৯৩ লাখ ৭০ হাজার পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রায় ২৯ লাখ ৭০ হাজার পশু অবিক্রিত থেকে যায়।
কোরবানিকৃত পশুর বিভাজন
কোরবানিকৃত পশুর মধ্যে গরু ও মহিষ ছিল ৪৮ লাখ ৭০ হাজার। আর ছাগল ও ভেড়া ছিল ৪৫ লাখ। অন্যান্য প্রজাতির পশুর সংখ্যা ছিল নগণ্য।
আঞ্চলিক পরিসংখ্যান
আঞ্চলিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে—২৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। যা দেশের মোট কোরবানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ। সবচেয়ে কম পশু কোরবানি হয়েছে সিলেট বিভাগে—প্রায় ২ লাখ ৭৪ হাজার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন দেশের প্রাণিসম্পদ খাত ও গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য একটি বড় মাইলফলক। এখন সরকারের নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে মাংস ও প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানির দিকে।



