জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটে মহিষের আক্রমণে গুরুতর আহত মজিবুর রহমান (৮০) মারা গেছেন। সোমবার বিকেলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ নিয়ে মহিষের আক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো দুইজনে।
দ্বিতীয় মৃত্যু
এর আগে রোববার উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানান্দবাড়ী কোরবানির হাটে মহিষের আক্রমণে রহুল আমিন নামে একজনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন মজিবুর রহমান। নিহত মজিবুর রহমান সানান্দবাড়ী এলাকার চর মাদার গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয়রা জানান, রোববার স্থানীয় আকন্দপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি বিক্রির উদ্দেশ্যে একাধিক মহিষ নিয়ে সানন্দবাড়ী হাটে আসেন। হাটে আসার পর তার একটি মহিষ হঠাৎ বেগড়ে গিয়ে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। মহিষটি হাটের মধ্যে ছোটাছুটি করে এবং হাটের লোকজনকে আক্রমণ করে। মহিষের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে মানুষ ছোটাছুটি শুরু করেন। সে সময় হাটে আসা রাজিবপুরের জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের রুহল আমীনসহ অন্তত ছয়জন মহিষের আক্রমণে আহত হন।
এর মধ্যে রুহুল আমীনকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে পথে তার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত মজিবুর রহমানকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়।
পুলিশের বক্তব্য
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, মহিষের আক্রমণে আহত মজিবুর রহমান মারা গেছেন। এ নিয়ে মহিষের আক্রমণে দুইজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলো।



