শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও স্থলবন্দর এলাকায় গত বৃহস্পতিবার এক হাতি বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে আহত হয়। এ ঘটনায় উৎসুক জনতা উল্লাস করতে থাকে। স্থানীয় লোকজনের তোলা ভিডিওতে দেখা যায়, ধানখেতে পাতা বৈদ্যুতিক তারের দিকে এগিয়ে আসছে হাতির পাল। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই এলাকায় হাতির আনাগোনা বাড়ায় কৃষকরা ফসল রক্ষায় ফাঁদ পাতছেন।
বন বিভাগের বক্তব্য
বন বিভাগ জানায়, স্থানীয়রা ধানখেত রক্ষায় এসব ফাঁদ পাতছে। তবে ফাঁদ সরাতে গেলে বনকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্ররোচনায় বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় হাতি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
হাতি হত্যার আইন ও শাস্তি
২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে গারো পাহাড়ে ৩২টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী হাতি হত্যা আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছর কারাদণ্ড। তবে আইন থাকলেও বাস্তবায়নে সমস্যা রয়ে গেছে।
ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া ও স্থানীয়দের অনাগ্রহ
হাতির আক্রমণে ফসলের ক্ষতির জন্য জটিল ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া থাকলেও স্থানীয়রা এতে আগ্রহী নন। বন বিভাগের উদ্বেগ, এই অনাগ্রহ ভবিষ্যতে হাতি-মানুষ সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।



