দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার। এ ছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাত্রীবিদ্যায় দক্ষ আরও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর ব্রিফিং
রোববার পর্তুগালের লিসবন সফর শেষে দেশে ফিরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বিপুলসংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগের আগে মাঠপর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানান জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সরকার এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
নিয়োগের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আগামী তিন থেকে চার বছর সময়ের মধ্যে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। যাতে করে আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের, বিশেষ করে প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। এ ছাড়াও আমরা ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেব আগামী তিন থেকে চার বছরে পর্যায়ক্রমে।’
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মিডওয়াইফ মোতায়েন
জিয়াউদ্দিন হায়দার আরও বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো আমাদের কোনো মা তার যখন স্বাভাবিক ডেলিভারি হবে তখন তাকে যেন একটা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া যায়। যাকে আমরা প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট বলছি, প্রত্যেকটা ইউনিয়নে একটি করে প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট হবে। শহরের প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেও একটি করে প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট হবে। এই প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিটে স্বাভাবিক যে ডেলিভারিগুলো সেগুলো এখানেই হবে। প্রতিটি প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিটে অন্তত দুজন করে মিডওয়াইফ কর্তব্যরত থাকবেন।



