হাইকোর্টের রুল: গৃহকর্মীদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক না করার কারণ জানতে চাওয়া
রাজধানীসহ সারাদেশে গৃহকর্মীদের রেজিস্ট্রেশন কেন বাধ্যতামূলক করা হবে না— এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটের প্রাথমিক শুনানি ও রুল জারি
রবিবার (১৯ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট খাদিজাতুল কোবরা।
রিটের পটভূমি ও দাবি
এর আগে, রাজধানীসহ সারাদেশে গৃহকর্মীদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন অ্যাডভোকেট খাদিজাতুল কোবরা। রিটে গৃহকর্মীদের নিয়ে প্রণীত আইনের যথাযথ কার্যকরের জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এই রিটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, সরকার কেন এই প্রক্রিয়াটি বাধ্যতামূলক করছে না, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা
হাইকোর্টের রুলে আইন মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিবদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে। তাদেরকে চার সপ্তাহের মধ্যে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, যেখানে গৃহকর্মীদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক না করার পেছনের যুক্তি ও নীতিগত সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করতে হবে।
এই বিষয়টি গৃহকর্মীদের অধিকার ও সুরক্ষার সাথে সরাসরি জড়িত, যা দেশের শ্রম আইন ও মানবাধিকার চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আদালতের এই রুল গৃহকর্মী সংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা ও উন্নয়নের দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



