প্রবীণ সাংবাদিকদের জন্য অবসর ভাতা চালু করতে সরকারের উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী
প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা চালু করতে সরকারের উদ্যোগ

প্রবীণ সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তায় অবসর ভাতা চালুর উদ্যোগ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের প্রবীণ সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবসর ভাতা চালুর লক্ষ্যে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অসুস্থ সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবানকে দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষার অভাব

তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এই খাতের কর্মীরা প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষার বাইরে থাকায় নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করেন। বিশেষ করে প্রবীণ সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত ছিল। এ বাস্তবতায় সরকার তাদের জন্য অবসর ভাতা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক পেশা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক প্রবীণ সাংবাদিক জীবনের শেষ পর্যায়ে আর্থিক কষ্টে দিন কাটান। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার কাজ করছে, যাতে তারা সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের নীতিমালা ও কল্যাণ ট্রাস্ট জোরদার

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করছে। একইসঙ্গে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সমাজের মেধাবী ও প্রতিভাবান মানুষদের টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা অপরিহার্য। সাংবাদিকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবীদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অসুস্থ সাংবাদিককে আর্থিক সহায়তা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অসুস্থ সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবানের হাতে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। এসময় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খোন্দকার কাওছার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার প্রবীণ সাংবাদিকদের জন্য একটি স্থায়ী আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা তাদের জীবনের শেষ পর্যায়ে সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে।