নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নবম পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত তা কার্যকর করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপির বিবরণ ও দাবি

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এবং সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন শৃঙ্খলা ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রতিটি সেক্টরে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

তবে ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল চালু হওয়ার পর প্রায় ১১ বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘ এই সময়ে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাপনের ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্মচারীদের আর্থিক সংকট

ফলে সরকারি নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা ২০১৫ সালের বেতন দিয়ে জীবনযাপনে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মচারী ব্যাংক ও প্রবিডেন্ট ফান্ড থেকে বারবার ঋণ নিয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসা ভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাস, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কিন্তু সেই অনুপাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সঙ্গে বেতন সমন্বয়ের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এক কথায়, নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

এ অবস্থায় আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবম পে-স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে দ্রুত তা বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত পদক্ষেপে এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান হবে এবং সরকারি কর্মীবাহিনীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।