আগামী অর্থবছরেও অনলাইনে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক: এনবিআর
আগামী অর্থবছরেও অনলাইনে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী অর্থবছরেও সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। রোববার এ বিষয়ে বিশেষ আদেশ জারি করা হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাবে।

বর্তমান টিআইএন ও রিটার্ন পরিসংখ্যান

বর্তমানে দেশে সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তবে প্রতিবছর মাত্র ৪০-৪২ লাখ রিটার্ন জমা পড়ে।

অনলাইন রিটার্নে ছাড় পাওয়া শ্রেণি

এনবিআরের আদেশ অনুসারে, পাঁচ শ্রেণির করদাতাকে অনলাইনে রিটার্ন না দিলেও চলবে। তাঁরা হলেন: ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ; সনদপত্র সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন; বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি; মৃত করদাতার আইনগত প্রতিনিধি; এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক। চাইলে তাঁরা অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর পরিশোধের মাধ্যম

করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। কোনো সমস্যা হলে এনবিআরের কল সেন্টার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়া হবে।

সারা বছর রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ ও করছাড়

আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা (যা কম) ছাড় পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোনো প্রণোদনা নেই। তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা (যা বেশি) জরিমানা দিতে হবে। চতুর্থ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা (যা বেশি) জরিমানা দিতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ