ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে দিনাজপুরে
ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে দিনাজপুরে

ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে আরও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে দিনাজপুরে

ভারতের নুমালীগড় থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর পদ্মা অয়েল ডিপোতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় দিনাজপুর পার্বতীপুর পদ্মা অয়েল ডিপোর সরকারি ব্যবস্থাপক আহসান হাবীব চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিজেল আমদানির ধারাবাহিকতা অব্যাহত

আহসান হাবীব চৌধুরী বলেন, "গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল সকাল থেকেই পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোতে এই ডিজেল আসা শুরু হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, সবশেষ গত ১৪ এপ্রিল ভারতের নুমালীগড় থেকে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে আট হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে এসেছে। এর আগে, গত মার্চ মাসে ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে।

সবমিলিয়ে মার্চ থেকে এপ্রিলের ১৪ তারিখ পর্যন্ত ভারতের নুমালীগড় থেকে পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে সর্বমোট ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে বলে ডিপো সূত্র নিশ্চিত করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আসন্ন ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা

ডিপো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসতে আনুমানিক ৫০ ঘণ্টা সময় লাগবে। এই তেল আসা শেষ হলে আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে আরও সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসবে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে, ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসে পৌঁছায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জরুরি ভিত্তিতে ডিপো খোলা রাখা

জ্বালানি তেল সরবরাহ ঠিক রাখার লক্ষ্যে শুক্রবার ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রেখেছে কর্তৃপক্ষ। চলতি এপ্রিল মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট পাঁচ ধাপে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ডিপোর সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।