চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল, চলমান সংঘাতের পর বৃহত্তম চালান
চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল, চলমান সংঘাতের পর বৃহত্তম চালান

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে চারটি ট্যাংকারে করে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল আসছে, যা চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পর বৃহত্তম চালান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট এজেন্ট প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করেছে যে, এই জ্বালানি চালান দেশের প্রায় ১২ দিনের ডিজেল চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

ট্যাংকারগুলোর আগমন ও সময়সূচি

চারটি ট্যাংকারের মধ্যে তিনটি এমটি ওক ট্রি, এমটি কেপ বনি এবং এমটি লিয়ান সং হু শুক্রবার বন্দরের আউটার অ্যাঙ্করেজে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চতুর্থ ট্যাংকার এমটি গোল্ডেন হরাইজন রবিবার বন্দরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজগুলো গ্রহণ ও খালাসের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আগমনের পরপরই আনলোডিং অপারেশন শুরু হবে।

এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য

ট্যাংকারগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রতিষ্ঠান প্রাইড শিপিং লাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেছেন, "জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে এবং খালাস কার্যক্রম বিলম্ব ছাড়াই শুরু হবে। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছি যাতে দ্রুততম সময়ে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশের ডিজেল চাহিদা ও সরবরাহ

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দৈনিক ডিজেল চাহিদা প্রায় ১২,৫০০ টন। এই হিসাব অনুসারে, আসন্ন ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেলের চালান দেশের প্রায় ১২ দিনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে। বিপিসি সূত্রে জানা গেছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • দেশে ডিজেলের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে শিল্প ও পরিবহন খাতে।
  • মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি আমদানিতে কিছু চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছিল, যা এই বৃহৎ চালানের মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে সহায়তা হবে।
  • বন্দর কর্তৃপক্ষ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

এই ডিজেল চালানটি চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরুর পর বাংলাদেশে আসা বৃহত্তম জ্বালানি চালান হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।