ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জ্বালানি তেল জব্দ ও জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গোকর্ণ ঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনটি দোকান থেকে আনুমানিক ১০ হাজার লিটার ডিজেল ও ১০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ মজুত এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে উচ্চমূল্যে বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা প্রশাসন ও র্যাবের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের পটভূমি ও কার্যক্রম
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে গোকর্ণ এলাকার কয়েকটি দোকানে অনুমোদন ছাড়াই জ্বালানি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে খোলা অবস্থায় জ্বালানি তেল বিক্রির তিনটি দোকান থেকে ডিজেল ও অকটেন জব্দ করা হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন জানান, "র্যাবের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের তথ্য পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মজুতের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্টদের জ্বালানি তেল বিক্রির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না।"
জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা
অভিযানে তিন দোকান মালিককে যথাক্রমে ২০ হাজার, ২০ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। র্যাব-৯ এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. নূরনবী বলেন, "মুদি দোকান, গ্যারেজ ও শ্রমিকদের আবাসস্থলে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুত রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
এ ঘটনা জ্বালানি তেলের বাজারে অবৈধ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকা তুলে ধরেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগে ভবিষ্যতেও অনুরূপ অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।



