এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পেছনের মূল কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবকে চিহ্নিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই দাম নির্ধারণে একটি সুনির্দিষ্ট ফর্মুলা অনুসরণ করা হয়, যা সৌদি আরামকোর সিপি প্রাইসের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও সরকারের ভূমিকা
মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, সৌদি আরামকোর সিপি প্রাইসের সঙ্গে একটি প্রিমিয়াম যোগ করে দেশের বাজারে এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারিত হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, উৎস দেশে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে বাধ্য। উদাহরণস্বরূপ, তিনি ক্রুড অয়েলের মূল্যের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কথা বলেন, যা কিছুদিন আগে ৫৫–৬০ ডলার থেকে বর্তমানে ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে।
তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার্থে দাম আগের মতোই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে জনগণ অতিরিক্ত আর্থিক চাপ অনুভব না করে। এই পদক্ষেপ সরকারের জনকল্যাণমুখী নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়।
সতর্কতা ও সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকালে সিলেট নগরের তোপখানায় তার বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক এবং সাশ্রয়ী থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহার করি, তাহলে আমদানি কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আসুন, আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকতা বজায় রাখি এবং সম্মিলিতভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করি।’ এই বক্তব্যে তিনি জনগণের সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
- এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা।
- সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
- সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবহারে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।



