ভারত থেকে তৃতীয় দফায় ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি, পার্বতীপুর ডিপোতে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ
ভারত থেকে তৃতীয় দফায় ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি, পার্বতীপুর ডিপোতে

ভারত থেকে তৃতীয় দফায় ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে, যা মার্চ মাসের তৃতীয় দফা হিসেবে চিহ্নিত। প্যাডমা অয়েল পিএলসির পার্বতীপুর ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশনস) আহসান হাবিব চৌধুরী বুধবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারত থেকে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই আমদানি সম্পন্ন হয়েছে।

আসাম থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত যাত্রা

ডিপো সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ এই চালানটি ভারতের আসামের নুমলিগড় রিফাইনারি থেকে যাত্রা শুরু করে, যেখানে পাম্পিং কার্যক্রম ২৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়। চালানটি মঙ্গলবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের বাংলাদেশ টার্মিনালে পৌঁছায়। এর আগে, ১১ মার্চ এবং ২৩ মার্চে দুটি পৃথক চালানে ৫ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল ডিপোতে প্রাপ্ত হয়েছিল। সর্বশেষ সংযোজনের মাধ্যমে, মার্চ মাসে তিন দফায় পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ১৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।

অবিচ্ছিন্ন জ্বালানি বিতরণ নিশ্চিতকরণ

দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি বিতরণ বজায় রাখতে, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে পার্বতীপুর ডিপো শুক্রবারেও কার্যক্রম চালু রেখেছে। অনুমোদিত ডিলারদের কাছে ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিকভাবেই অব্যাহত রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন আগত ডিজেলের বিতরণ বুধবার দুপুর থেকে শুরু হয়েছে। বিতরণ প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিপোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, কঠোর তত্ত্বাবধানে বিতরণ কার্যক্রম সুচারুভাবে এগিয়ে চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জ্বালানি নিরাপত্তা উদ্যোগ: এই আমদানি কার্যক্রমটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং বিদেশি উৎসের উপর নির্ভরতা কমাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতের সাথে এই পাইপলাইন সংযোগের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনটি দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতার একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে, যার মাধ্যমে দ্রুত ও দক্ষভাবে ডিজেল পরিবহন সম্ভব হচ্ছে। এই প্রকল্পটি আঞ্চলিক শক্তি নিরাপত্তা জোরদার করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।