চাঁদপুরের ডিপো থেকে ছয় জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত
চাঁদপুরের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপোয় জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। আজ সোমবার ডিপোগুলো পরিদর্শন করে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিদিন এই ডিপোগুলো থেকে লরি ও ব্যারেলের মাধ্যমে চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন পাম্পে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
ডিপোভিত্তিক মজুতের বিস্তারিত তথ্য
ডিপো ইনচার্জরা জানান, চাঁদপুরের বর্তমানে তিনটি ডিপোয় নিম্নলিখিত পরিমাণে জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে:
- ডিজেল: ৭৬ লাখ ৬৫ হাজার লিটার
- অকটেন: ১৫ লাখ ৩৩ হাজার লিটার
- পেট্রল: ১৭ লাখ ২০ হাজার লিটার
- কেরোসিন: ১৯ লাখ ৩২ হাজার লিটার
পদ্মা ডিপোর ইনচার্জ মোহাম্মদ লোকমান বলেন, তাঁর ডিপোয় ডিজেল মজুত রয়েছে ৩৬ লাখ লিটার, অকটেন ৩ লাখ ৩৮ হাজার লিটার, পেট্রল ৭ লাখ ৫০ হাজার লিটার এবং কেরোসিন ৪ লাখ ৫০ হাজার লিটার। প্রতিদিন এখান থেকে চাঁদপুরসহ চার জেলায় গড়ে ২ দশমিক ৫ লাখ লিটার তেল লরির মাধ্যমে বিভিন্ন পাম্পে সরবরাহ করা হচ্ছে।
মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ মো. জাফর জানান, এখানে ডিজেল মজুত রয়েছে ১৫ লাখ ৬৫ হাজার লিটার, অকটেন ২ লাখ ১০ হাজার লিটার এবং কেরোসিন ২ লাখ ৮২ হাজার লিটার। অন্যদিকে, যমুনা ডিপোর ইনচার্জ মো. নূর এ আলম বলেন, তার এখানে ডিজেল মজুত রয়েছে ২৫ লাখ লিটার, অকটেন ৯ লাখ ৮৫ হাজার লিটার, পেট্রল ৯ লাখ ৭০ হাজার লিটার এবং কেরোসিন ১২ লাখ লিটার।
সরকারি বরাদ্দ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ডিপো ইনচার্জরা দাবি করেন, এই জ্বালানি তেলের মজুত আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তাঁরা এই জ্বালানি সরবরাহ করছেন। এ জন্য প্রতিটি ডিপোয় পর্যাপ্ত স্টাফ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তারা আরও উল্লেখ করেন যে, সরবরাহ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। স্থানীয় পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে ডিপোগুলো থেকে প্রতিদিন নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।



