সরকার জ্বালানি চোরাচালান ও অবৈধ মজুতের নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিদের জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছে। খনিজ সম্পদ বিভাগের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ দেশের জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে অবৈধ কার্যকলাপ রোধের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি চোরাচালান রোধে কঠোর পদক্ষেপ
খনিজ সম্পদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “চাহিদা বৃদ্ধি ও সরবরাহ সীমিত থাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি জ্বালানি মজুত ও চোরাচালানে জড়িত। কর্তৃপক্ষের কাছে যাচাইকৃত তথ্য প্রদানকারীদের যথাযথ পুরস্কার দেওয়া হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কীভাবে তথ্য দেবেন?
বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকলে নাগরিকদের স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যালয়, জেলা কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা যোগ করেছেন, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
এই পদক্ষেপটি দেশব্যাপী স্থিতিশীল ও সমতাভিত্তিক জ্বালানি বিতরণ নিশ্চিত করতে বিস্তৃত ব্যবস্থার অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের কাছে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছালে এই পুরস্কার স্কিম অবৈধ জ্বালানি কার্যকলাপ রোধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।
জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্য এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে জ্বালানি চোরাচালান ও মজুতের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।



