এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমল ১৫ টাকা, ১২ কেজির নতুন মূল্য ১,৩৪১ টাকা
এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমল ১৫ টাকা, নতুন মূল্য ১,৩৪১ টাকা

এলপিজি সিলিন্ডারের দামে হ্রাস: ১২ কেজির নতুন মূল্য ১,৩৪১ টাকা

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১,৩৫৬ টাকা, যা এখন কমে ১,৩৪১ টাকা হয়েছে। এই দাম হ্রাস প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ২১ পয়সা বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে। সরকার এলপিজি আমদানিতে শুল্ক কমানোর ফলে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম কার্যকর ও বিস্তারিত

বিইআরসি মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে। গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। এখন প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১১১ টাকা ৭৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারটি গৃহস্থালির কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। তবে, বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ সংকট চলছে, যার ফলে বিক্রেতারা প্রতি সিলিন্ডারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন।

অন্যান্য এলপিজি পণ্যের দাম

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি বা অটো গ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দাম নির্ধারণের পদ্ধতি

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রতি মাসে এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে, যা সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

বিইআরসি এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে। আমদানিকারক কোম্পানির চালান মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে দাম নির্ধারণ করা হয়।

এলপিজি দাম কমানো জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন, যা ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে, বাজারে সরবরাহ সংকট ও দামের অসামঞ্জস্যতা চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।