ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে ইউরোপকে অতিরিক্ত ৩২ বিলিয়ন ডলার বা ২৭ বিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
জ্বালানি সংকটের দ্বিতীয় ধাক্কা
গত চার বছরের মধ্যে ইউরোপ দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে উল্লেখ করে ভন ডার লিয়েন বলেন, আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাই ইউরোপের অর্থনীতিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ২০২২ সালে ভ্লাদিমির পুতিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করেছিলেন এবং বর্তমানে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দেন তিনি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর
তার মতে, ইউরোপের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি ছোট মডুলার পারমাণবিক চুল্লিসহ পারমাণবিক শক্তির নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করার প্রস্তাব দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্রতিটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ইউরোপকে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা করবে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।



