বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে
জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৭২% এ নেমেছে

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। গত অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.১০ শতাংশ।

প্রবৃদ্ধি কমার কারণ

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মূলত শিল্প ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে। শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি ৮.১৮ শতাংশ থেকে কমে ৭.৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি ৬.২৫ শতাংশ থেকে কমে ৫.৮০ শতাংশে নেমেছে। তবে কৃষি খাতে সামান্য প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, যা ৩.০০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩.১০ শতাংশ হয়েছে।

মাথাপিছু আয়

চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৭৬৫ ডলার হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৬২৪ ডলার। তবে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় টাকার অঙ্কে মাথাপিছু আয় কমেছে। টাকার অঙ্কে মাথাপিছু আয় ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৩০ টাকা থেকে কমে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিনিয়োগ ও সঞ্চয়

জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগ ৩১.৩০ শতাংশ থেকে কমে ৩০.৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সঞ্চয়ের হার ২৯.১০ শতাংশ থেকে কমে ২৮.৬০ শতাংশে নেমেছে। সরকারি খাতে সঞ্চয় ২.১০ শতাংশ থেকে কমে ১.৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আর বেসরকারি খাতে সঞ্চয় ২৭.০০ শতাংশ থেকে কমে ২৬.৭০ শতাংশে নেমেছে।

খাতভিত্তিক অবদান

জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১২.০০ শতাংশ, শিল্প খাতের ৩৪.৫০ শতাংশ এবং সেবা খাতের ৫৩.৫০ শতাংশ। আগের অর্থবছরে কৃষির অবদান ছিল ১২.১০ শতাংশ, শিল্পের ৩৪.২০ শতাংশ এবং সেবার ৫৩.৭০ শতাংশ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিত কর্মকার বলেছেন, “বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আমাদের রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমেছে, যা প্রবৃদ্ধি কমার অন্যতম কারণ।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ